শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

চেকপোস্টে সেদিন অস্ত্র তাক করেননি সিনহা : তদন্ত কর্মকর্তা

ঢাকা অফিস / ১১৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০, ৯:২২ অপরাহ্ন

ওসি প্রদীপসহ ৩ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলীতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা তিন আসামী ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলালকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। গতকাল সোমবার বেলা ১১টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। প্রায় আট ঘন্টা ধরে এই তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এছাড়াও র‌্যাবের হেফাজতে থাকা আরও চার পুলিশ সদস্যসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে তদন্ত কমিটির সদস্যরা। এদিকে গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন র‌্যাপিড আ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেছেন, সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বদিয়ে ও পেশাদারিত্বের সাথে করছে র‌্যাব। তদন্ত ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে। এসময় মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের সহকারি পরিচালক সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) খাইরুল ইসালমসহ তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছেন। অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে গুলী করার ঘটনায় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে তদন্ত কর্মকর্তা নিশ্চিত হয়ে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সেদিন পুলিশের নির্দেশে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা গাড়ি থেকে নামার সময় হাতে অস্ত্র ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শীরা তদন্ত কর্মকর্তাকে বলেছেন, গাড়ি থেকে নামার সময় তিনি (সিনহা) পুলিশ সদস্যদের দিকে অস্ত্র তাক করেননি। কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মোকাম্মেল হোসেন জানান, গতকাল কারা ফটকে জেল কোড অনুযায়ী আসামীদের এনে হত্যাকান্ড সম্পর্কে বক্তব্য গ্রহণ করেছে তদন্ত কমিটি। মোকাম্মেল হোসেন বলেন, তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বেলা ১১টার দিকে তদন্ত দল কারাগারের ফটকে অবস্থান করে আসামীদের পৃথক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতের কাছ থেকে হত্যাকান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায় তদন্ত দল। কারাসূত্র জানায়, তারা প্রায় আট ঘন্টা ধরে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এর পর বহিষ্কৃত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া এবং সন্দেহজনক আসামী নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ র‌্যাব হেফাজতে রিমান্ডে থাকায় তদন্ত কর্মকর্তার (আইও) সহয়তায় এ সাত আসামীর বক্তব্য নেয়া হবে। তাদের সাক্ষ্য নিতে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, কক্সবাজারের জেল সুপার মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন, সিনহা রাশেদ হত্যায় তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এর করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক সিনিয়র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তদন্ত কমিটি থেকে এ বিষয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের বেঁধে দেয়া সময় আগামী ২৩ আগস্ট রোববারের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার টার্গেট নিয়ে তদন্ত কমিটি পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রত্যক্ষদর্শী ৯ জন এবং সংশ্লিষ্ট ৬০ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটিকে দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী, ঘটনার উৎস, ঘটনার কারণ, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হবে। গত ২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে গঠন করে দেয়া তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, লে. কর্নেল মোহাম্মদ সাজ্জাদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জাকির হোসেন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহা. শাজাহান আলি। সিনহা হত্যার তদন্ত ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে -র‌্যাব ডিজি: র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বদিয়ে ও পেশাদারিত্বের সাথে করছে র‌্যাব। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে যা যা করা প্রয়োজন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আমি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনের এসেছি। গতকাল সোমবার বিকাল ৫টার দিকে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে একথা বলেন র‌্যাব প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, আমি নিজেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করছি। অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তিনি বলেন, এই ঘটনা নিয়ে বাহিনীগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই। সুষ্ঠুভাবে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, মেজর (অব.) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন কক্সবাজারে আসেন। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে তিনি বিকাল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল বাহারছড়ার শামলাপুরে যান। ৫টার দিকে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ফিরে আসেন তিনি। র‌্যাব মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন পরিচালক (মিডিয়া) লে. কর্ণেল আশিক বিল্লাহসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দুই এসপির বিরুদ্ধে রিটের শুনানি মঙ্গলবার : টেকনাফে পুলিশের গুলীতে নিহত মেজর (অব.) সিনহার সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় সাতক্ষীরার এসপি এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবি আই) পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে করা রিটের শুনানি মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল এই দিন ঠিক করে আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন মনোজ কুমার ভৌমিক। এরআগে রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনোজ কুমার ভৌমিক জনস্বার্থে রিট করেন। রিটে দুই পুলিশ কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্টের ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদেশ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। রিটে বিবাদী করা হয়- মন্ত্রিপরিষদের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের প্রধান পরিচালক, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্টদের। ফেসবুকে বিকৃত পোস্ট নিয়ে মামলা করবো -শিপ্রা: ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে হত্যা মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন সিনহা রাশেদের সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথ। সামাজিক মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের কাছে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। ভিডিওতে শিপ্রা বলেন ‘মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর রাতে এসে আমাদের কটেজ থেকে পুলিশ আমাদের দুটি মনিটর, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, ক্যামেরা, লেন্স, তিনটি হার্ডড্রাইভ এবং আমাদের ফোন ডিভাইস সব নিয়ে যায়। জব্দ তালিকায় যার কোনোটির কোনো উল্লেখ নেই। আমি জানি না, এখন কীভাবে বা কার কাছে সেসব ফেরত চাইব।’ ‘আমাদের পার্সোনাল প্রোফাইল ও ডিভাইস থেকে বিভিন্ন ছবি চুরি করে কিছু বিকৃত মস্তিষ্কের দায়িত্বশীল অফিসাররাই ফেসবুক ও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। আমার নামে খোলা হয়েছে ফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি। আমার ব্যক্তিজীবনকে যারা অসহনীয় করে তুলেছেন বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও তৈরির মাধ্যমে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আমি তথ্য প্রযুক্তির ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব, কথা দিলাম।’ ‘আমি মনে করি আমার চরিত্র হননের চেষ্টার মাধ্যমে এ দেশের বাইরে কাজ করা প্রতিটি নারীর প্রতি নিগৃহীত ও অপমানজনক আচরণ এটি।’ ‘আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করে এভাবে আমার ব্যক্তিগত জীবনকে নিগৃহীত করার প্রচেষ্টা এই বাংলাদেশের আইনে কি শাস্তিযোগ্য অপরাধ । ওসি প্রদীপের রোষানলে এখনও ভুগছেন দুই তরুণ: টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের রোষানল থেকে ছাড় পাননি পর্যটকরাও। প্রদীপের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের দুই তরুণও। মিথ্যা মামলায় তাদের মধ্যে একজন ১৫ দিন জেল খেটেছেন আর আরেকজন ১ মাস ধরে রয়েছেন জেলে। প্রীতম ও লিংকন। দুই চাচাতো ভাই। প্রীতম মালয়েশিয়া থেকে করোনা সংক্রমণের আগে দেশে ফেরেন। আর লিংকন স্থানীয় কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। দু’জনের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। লকডাউনের মধ্যে কক্সবাজার যান তারা। তবে সেখানে হোটেল-মোটেল বন্ধ থাকায় এক অটোরিকশা চালকের পরামর্শে টেকনাফে যান দু’জন। আবাসনের আশায়। তবে সেখানে গিয়ে তারা ফেঁসে যান প্রতারক চক্রের হাতে। এরপর সেখান থেকে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ থানায় নিয়ে যায়। এরপর তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে পুরো ঘটনা বলা হলে তিনি বলেন, ওরা ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত। এরপর প্রীতমের প্যান্টের পকেটে ৪০০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে- এমন অভিযোগ এনে মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পাঠানো হয় আদালতে। আর লিংকনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের সাজা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী লিংকন বলেন, ‘ওসি প্রদীপ কুমার আমার ভাইকে শুধু জিজ্ঞাসা করছে এখানে কেন আসছো- আমার ভাই স্যারকে (ওসি) পুরো ঘটনা বলার পরে সে মামলার ফাইল তৈরি করতে বলেছে। হাতে পায়ে ধরার পরে বল তোর জীবন শেষ করে দিমু’। কলেজছাত্র লিংকন বলেন, ‘দু’দিন থানায় আটকে রাখা হয়েছিল। ওসি প্রদীপের পায়ে ধরেছি যাতে মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো না হয়। এরপরও ১৫ দিনের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে আমার ভাইকে ছাড়েনি। প্রীতমের পরিবারের সদস্যরা জানান, মিথ্যা মামলায় এখনও কক্সবাজারের জেলে রয়েছেন প্রীতম। ওসি প্রদীপ যে আচরণ করেছেন, এটা ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়। প্রীতম ও লিংকনের গ্রেফতারের পরে খবর পেয়ে টেকনাফে যান তাদের স্বজনরা। তবে প্রদীপ দাশের কাছে কোনো অনুকম্পা মেলেনি বলে দাবি তাদের’। উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলীতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে। আর রামু থানায় একটি মামলা করা হয়। পরে ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে ৯ জনকে আসামী করা হয়। আসামীরা হলেন- টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, এএসআই লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এদের মধ্যে আসামী মোস্তফা ও টুটুল পলাতক। এর মধ্যে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া পুলিশের চার সদস্য এবং এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে গত শুক্রবার থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। যাদের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে তারা হলেন- এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট
এক ক্লিকে বিভাগের খবর