মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১২:১৭ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী সর্বক্ষণ দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন

অনলাইন ডেস্ক / ৭০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৬:৩০ পূর্বাহ্ন
প্রধানমন্ত্রী সর্বক্ষণ দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন - ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুপার সাইক্লোন ‘আমফান’ সৃষ্ট সর্বশেষ দুর্যোগ পরিস্থিতি সর্বক্ষণ মনিটরিং করছেন । ইতোমধ্যে প্রায় ৩ লাখ লোককে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলবর্তী এলাকা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সকলকেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোপূর্বে নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম মঙ্গলবার রাতে বাসস’কে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বক্ষণ দুর্যোগ পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে ৩ লক্ষাধিক মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’ মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই সকলকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে, বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুপার ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এটি আরো উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আগামীকাল বুধবার বিকেলে বা সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুপার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

বাসসের খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা জেলা সংবাদাতাদের পাঠানো সর্বশেষ সংবাদে জানা যায়-‘আমফান’ মোকাবেলায় উপকূলীয় জেলাগুলোতে সর্বত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। উপকূলীয় জেলাগুলোর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং এসব আশ্রয় কেন্দ্র এবং সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে মানুষকে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করা হচ্ছে।

সূত্র : বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.