রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন

কাবুলের ১১ কিমি দূরে তালেবান

ঢাকা অফিস / ২৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১, ১:০৬ পূর্বাহ্ন

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একেবারে কাছাকাছি এলাকায় চলে এসেছে দেশটির তালেবানের সদস্যরা। গতকাল শনিবার কাবুলের আশপাশের এলাকায় ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে তারা। তালেবানরা উত্তর আফগানিস্তানের একটি প্রধান শহর মাজার-ই-শরিফে গতকাল বহুমুখী হামলা শুরু করেছে, পাশাপাশি তারা দেশজুড়ে আরো শহর ও প্রদেশ দখলের জন্য আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার সকালে কান্দাহারের রেডিও স্টেশনের দখল নিয়েছে তারা। খবর আলজাজিরা।
তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানীর ঠিক দক্ষিণের প্রদেশ লোগার সম্পূর্ণ দখল করেছে এবং প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের আটক করেছে বলে জানিয়েছেন, প্রদেশটির আইনপ্রণেতা হোদা আহমদী। তালেবান রাজধানী কাবুল থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার (সাত মাইল) দক্ষিণে চাহর আসিয়াব জেলায় পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি। ইতোমধ্যে তালেবান যোদ্ধারা উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ আফগানিস্তানের বেশির ভাগ অংশ দখল করে নিয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দুই-তৃতীয়াংশ তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় হাজার হাজার মানুষ রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পালিয়ে গেছে। তালেবানরা রাজধানী কাবুলের কাছাকাছি চলে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোও তাদের দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নেয়া শুরু করেছে। দেশটির দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৃহত্তম শহর তালেবানের হাতে পতন হওয়ায় এখন রাজধানী কাবুল কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াইরত সরকারি বাহিনীর সদস্যরা কোনো ধরনের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে তালেবানের পুরোমাত্রার আক্রমণের ভয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূতাবাসের কর্মীদের তড়িঘড়ি করে ফিরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করেছে।
দেশটির উত্তরাঞ্চলের মাজার-ই-শরিফের আশপাশে তুমুল লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। এই অঞ্চলে প্রবল তালেবানবিরোধী ও দেশটির যুদ্ধবাজ হিসেবে পরিচিত সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল রশিদ দোস্তাম তার মিলিশিয়া বাহিনীকে সঙ্ঘবদ্ধ করেছেন। এখনো যেসব গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল তালেবানের দখলে যায়নি সেসবের মধ্যে আছে জালালাবাদ, গার্দেজ ও পশতুন অধ্যুষিত খোস্ত। এসব অঞ্চলেও তালেবানের বিরুদ্ধে খুব বেশি প্রতিরোধের সম্ভাবনা নেই।
দূতাবাসের নথি ধ্বংসের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের : কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের স্পর্শকাতর নথিপত্র এবং সরঞ্জাম ছিঁড়ে আগুনে জ্বালিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দূতাবাসের কর্মী এবং মার্কিন নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে আফগানিস্তানে তিন হাজার সৈন্য পুনরায় মোতায়েন করেছে দেশটি। এ ছাড়াও ব্রিটেনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের জার্মানি, ডেনমার্ক ও স্পেন শুক্রবার আফগানিস্তানে নিযুক্ত নিজেদের দূতাবাসের কর্মীদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেপ্পে কফোড শুক্রবার জানান, কাবুল দূতাবাসের কর্মীদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। অন্য দিকে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, নিজেদের দূতাবাসের কার্যক্রম খুবই সীমিত করে ফেলেছে বার্লিন। এ বিষয়ে শুক্রবার হেইকো মাস বলেন, আফগানিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতিতে দেশটিতে জরুরি সহায়তা দল অনতিবিলম্বে পাঠানো হচ্ছে। একই দিন কাবুলের নিজেদের দূতাবাস সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে নরওয়ে। সেই সাথে নিজেদের সব কর্মী প্রত্যাহারের কথা জানায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইউরোপের আরেক দেশ ফিনল্যান্ডও ঘোষণা দিয়েছে যে, কাবুলে নিজেদের দূতবাসে থাকা ১৩০ কর্মী দ্রুত সরিয়ে নিচ্ছে। অন্য দিকে আফগানে থাকা ফরাসি নাগরিকদের দ্রুত সরে যেতে ফের আহ্বান জানিয়েছে ম্যাক্রোঁ সরকার।
অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্বেগ : এ দিকে জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস আফগানিস্তানের চলমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, তালেবানদের দখলকৃত এলাকায় নারীদের সাথে যে ধরনের দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে তা ‘অত্যন্ত বিরক্তিকর’।
প্রেসিডেন্টের আশ্বাস : এক টেলিভিশন ভাষণে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি সাম্প্রতিককালে তালেবানের বড় অর্জনের পর প্রথমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। গনি বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি ও নেতাদের সাথে এবং আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে দ্রুততার সাথে ব্যাপক পরামর্শ করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাবাহিনীকে পুনর্বহাল করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এ ব্যাপারে গুরুতর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আমি আপনাদের (আফগান নাগরিক) রাষ্ট্রপতি হিসেবে আশ্বস্ত করতে চাই; আমরা আরো মানুষের স্থানচ্যুতি রোধ করতে যাচ্ছি।’ যদিও এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে গনি বিস্তারিত কিছুই বলেননি।
ভারতকে তালেবানের হুঁশিয়ারি : আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠানো নিয়ে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তালেবান। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন তালেবানের মুখপাত্র মুহাম্মদ সোহেল শাহীন।
এএনআইকে সোহেল শাহীন বলেন, ‘যদি ওরা আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠায় তাহলে তা তাদের জন্য ভালো হবে না। আগে যারা সামরিক শক্তি নিয়ে এখানে এসেছে, তাদের ভবিতব্য দেখেছে ভারত। তো এটা তাদের জন্য খোলা বই।’ এ দিকে ভারতীয় প্রতিনিধিদের সাথে তালেবানের কোনো বৈঠক হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে কিছু বলতে চাননি তালেবানের মুখপাত্র। তালেবানের মুখপাত্র মুহাম্মদ সোহেল শাহীন বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট নীতি হলো যে, আফগান মাটি ব্যবহার করে কেউ দেশের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারবে না। তা ছাড়া অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধেও আমাদের মাটি ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।’
এ দিকে পাকিস্তানের কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সাথে তালেবানের আঁতাত রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তালেবান মুখপাত্র বলেন, ‘এগুলো ভিত্তিহীন অভিযোগ। কোনো গোষ্ঠীর সাথে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এগুলো রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কোনো দূতাবাস বা রাষ্ট্রদূতের ক্ষতি করা হবে না। আমরা আগেও এই কথা বলেছি।’
কানাডায় আশ্রয় পাবেন ২০ হাজার আফগান : ভয়েস অব আমেরিকা জানায়, তালেবানদের প্রতিহিংসার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নারীনেত্রী, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকসহ ঝুঁকিতে থাকা ২০ হাজারের বেশি আফগানকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন কানাডার অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্কো মেনডিসিনো। শুক্রবার তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কানাডা সরকারের জন্য কাজ করা হাজার হাজার আফগান, যেমন দোভাষী, দূতাবাসের কর্মী এবং তাদের পরিবারকে কানাডায় আশ্রয় দিতে এর আগে নেয়া উদ্যোগের পাশাপাশি এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘যেহেতু তালেবানরা আফগানিস্তানের অধিকতর এলাকা দখল করে চলেছে এবং এতে করে অনেক আফগানের জীবন ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে রয়েছে তাই এমন পদক্ষেপ।’ তবে তিনি এর নির্দিষ্ট সময়সূচি সম্পর্কে কিছু জানাননি। এ ছাড়া কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হারজিত সজ্জন জানিয়েছেন, কানাডার কিছু সেনা আফগানিস্তানে মানুষজনকে স্থানান্তরের কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন প্রেসিডেন্ট গনি : আফগানিস্তানের ওপর প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির আর নিয়ন্ত্রণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব আফগানিস্তানের আইন বিষয়ের অধ্যাপক হারুন রাহিমি।
তিনি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, আফগানিস্তানের ওপর গনি সরকারের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ হয়ে আসছে। আফগানিস্তানের ওপর প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির কোনোই নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি আরো বলেন, আফগানিস্তানে ক্ষমতার পরিবর্তন বিনা রক্তপাতে হওয়া উচিত। যতটা সম্ভব দ্রুততার সাথে ও সুশৃঙ্খলভাবে এ পরিবর্তন আনতে হবে। অধ্যাপক হারুন রাহিমির মতে, যদি চরম চাপ আর বিশৃঙ্খলার মধ্যে কাবুলের পতন হয় তাহলে আর রাজনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধান হবে না।
তালেবানের ১৩ দফা ঘোষণা : তালেবানের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে। ১৩ দফা ঘোষণাসংবলিত এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসলামী আমিরাতের নিয়ন্ত্রণে আসা অঞ্চল ও প্রদেশগুলো আসলে মানুষের মধ্যে ইসলামী আমিরাতের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি স্পষ্ট লক্ষণ, কারণ এ ধরনের দ্রুত অগ্রগতি শক্তি দ্বারা অর্জন করা যায় না। সর্বশক্তিমান আল্লাহর সাহায্য এবং আফগান জাতির ব্যাপক সমর্থনে এটি হয়েছে।
ঘোষণায় বলা হয়, ইসলামী আমিরাত (তালেবান) আবারো তার সব নাগরিককে আশ্বস্ত করছে যে, তারা বরাবরের মতোই তাদের জীবন, সম্পত্তি ও সম্মান রক্ষা করবে এবং তার প্রিয় মানুষের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবে। এ নিয়ে কারো চিন্তা করা উচিত নয়। মুজাহিদিনদের কোষাগার, পাবলিক সুবিধা, সরকারি অফিস, পার্ক, রাস্তা, সেতু সম্পর্কিত সরঞ্জামগুলোর প্রতি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। এগুলো সবই জাতির সম্পত্তি।
ঘোষণায় আরো বলাা হয়, যারা আগে দখলদারদের সাহায্য করেছে, অথবা এখন যারা কাবুলের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের কাতারে দাঁড়িয়ে আছে তাদের জন্য ইসলামী আমিরাতের ক্ষমার দরজা উন্মুক্ত। আমরা সবাইকে এই দেশ আফগান জনগণের সেবার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সামরিক ও বেসামরিকভাবে যারা ইসলামী আমিরাতের পদে যোগদান করেন ভবিষ্যতে তাদের দেশ ও মানুষের সেবা করার জন্য উপযুক্ত শর্ত প্রদান করতে বদ্ধপরিকর ইসলামী আমিরাত। ঘোষণায় আরো বলা হয়, ইসলামী আমিরাতের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক যেই ক্ষেত্রেই হোক না কেন জনগণকে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে হবে। আফগানিস্তান সবার অভিন্ন বাড়ি, আমরা সবাই মিলে এ দেশটিকে নির্মাণ করব ।
ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, কাবুল প্রশাসন সম্প্রতি একটি ধারাবাহিক ভিত্তিহীন ও জঘন্য প্রোপাগান্ডা চালু করেছে, কিছু দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে তারা মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে, তারা যে অপরাধ করেছে বা তাদের সাথে যুক্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যেসব অপরাধ করেছে সময়ে সময়ে এটি ইসলামী আমিরাতের নামে অথবা ইসলামী আমিরাতের নেতা ও কর্মকর্তাদের নামে ভুয়া ঘোষণা ও বিবৃতি প্রকাশ করে চাপানোর চেষ্টা করছে। এমন মিথ্যা এবং সুদূরপ্রসারী প্রচার কোনো কারণ বা যুক্তিতে মেনে নেয়া যায় না। ইসলামী আমিরাত স্পষ্টভাবে বলছে যে, মুজাহিদিনরা তাদের মেয়েদের বিয়ে দিতে বাধ্য করছে, অথবা মুজাহিদিনদের সাথে তাদের বিয়ে দিচ্ছে, মুজাহিদিনরা মানুষকে হত্যা করছে, বন্দী করছে ও বন্দীদের হত্যা করছে, এমন অভিযোগ সত্য নয়। ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, আফগানিস্তানের ইসলামিক আমিরাত কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে তথা কারো গাড়িতে, কারো জমি ও বাড়িতে, কারো বাজার ও দোকানে আগ্রহী নয়; কিন্তু মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করাকে আপন দায়িত্ব বিবেচনা করে। যারা সম্প্রতি শত্রুর অপপ্রচারের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে, অথবা দেশত্যাগ করেছে, সামরিক বা বেসামরিক, যেই হোক না কেন তাদের নিজ বাড়ি এবং জায়গায় ফিরে যাওয়া উচিত। তাদের কোনো সমস্যা নেই, আমরা তাদের জীবন, সম্পত্তি ও সম্মান রক্ষা করব।
ঘোষণায় বলা হয়, ইসলামী আমিরাত তার মুজাহিদিনদের নির্দেশ দিয়েছে এবং আবারো তাদের নির্দেশ দিচ্ছে যে, কেউ অনুমতি ছাড়া কারো ঘরে প্রবেশ করবে না, কারো জীবনের ক্ষতি করবে না, কারো সম্পদ ও সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না; কিন্তু সবাইকে রক্ষা করবে। শত্রুরা কিছু লোককে মুজাহিদদের নামে হয়রানি বা হয়রানির জন্য নিযুক্ত করতে পারে। জনগণ এবং জনগণকে এই বিষয়ে মুজাহিদদের এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে সাহায্য করা উচিত। ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং পুঁজিপতিদের উদ্দেশে ঘোষণায় বলা হয়, তারা যেন তাদের ব্যবসা স্বাভাবিকভাবে চালায়, জনগণের সেবা করে। ইসলামী আমিরাত তাদের ব্যবসার জন্য একটি নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ প্রদান করবে। আমরা আমাদের সব প্রতিবেশীকে আশ্বস্ত করি যে, আমরা কূটনীতিক, দূতাবাস, কনসুলেট ও দাতব্য কর্মীদের নিরাপত্তা পূর্ণভাবে নিশ্চিত করব।
তালেবান তথা আফগানিস্তানের ইসলামিক আমিরাতের এই সর্বশেষ ঘোষণা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট
এক ক্লিকে বিভাগের খবর