বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার মিরপুরে শিক্ষক আমিরুলের বিরুদ্ধে হাক্কানী দরবারের পরিচালক সিপাহীর মামলা কুষ্টিয়ায় ভুয়াভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দিতে এসে দুই জনকে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান সাংবাদিক এএইচ মিলন আর নেই বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিয্য ঢেঁকি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দরকার সংরক্ষণ দৈনিক হাওয়া ২৫ নভেম্বর ২০২০ ইং। কুষ্টিয়া মঙ্গলবাড়িয়ায় ৬বছরের শিশুর গায়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় দূর্ঘটনায় এক মটরসাইকেল আরোহী নিহত কুষ্টিয়ায় ৫২ বোতল ফেনসিডিল সহ একজন আটক কুষ্টিয়া চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীদের ৬ মাস বেতন-ভাতা বন্ধ,১৯ বছরে লোকসান ৪১৫ কোটি কুষ্টিয়ায় চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

ভেঙে পড়ছে লকডাউন

Reporter Name / ৮৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৮:০৪ পূর্বাহ্ন

ঢাকা অফিস : দেশে কার্যত শিথিল হতে বসেছে লকডাউন। বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি রাজধানীতেও গত দু-তিন দিন ধরে লোকজনের রাস্তায় নামা বেড়েছে। পাড়া-মহল্লার গলি পেরিয়ে এখন মূল সড়কেও চলে আসছে মানুষ। ব্যক্তিগত যানবাহন বেড়েছে। সিএনজি, রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা গত কয়েক দিনের তুলনায় গতকাল সোমবার অনেক বেশি চলতে দেখা যাচ্ছে। চায়ের দোকানগুলো খুলছে। সেখানে ভিড় করছে নানা বয়সী মানুষ।

বিশেষ করে গত বৃহস্পতিবার একসঙ্গে সরকারের ৫৪টি মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও বিভাগগুলো সীমিত পরিসরে খোলায় রাজধানীতে গতকাল সড়কগুলো বেশ সরব ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে এসব অফিস খুলেছে গত রবিবার থেকে। রাজধানীতে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে মন্ত্রীসহ কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। মন্ত্রীরা অফিস করেছেন। সচিবসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে গেছেন। এর ফলে গতকাল রাজধানীতে লোকজনের যাতায়াত লক্ষ করা গেছে। এ সময় সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার নির্দেশিত সামাজিক দূরত্ব লঙ্ঘন হতে দেখা গেছে। সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ব্যবহারের মাত্রাও ছিল কম।

একই সঙ্গে গত রবিবার থেকে ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুরে এক হাজারের মতো তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন ‘সীমিত পরিসরে আঞ্চলিক পর্যায়ে’ কারখানা খোলার কথা বললেও, শ্রমিকরা বলছেন বেশিরভাগ কারখানাতেই পুরোদমে কাজ হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকের সুরক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই কিছু নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে কারখানাগুলোতে। এর মধ্যে রয়েছে কারখানায় প্রবেশের মুখে শ্রমিকের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। এছাড়াও বলা হয়েছে হ্যান্ড হেল্ড ইনফ্রারেড থার্মোমিটারে তাপমাত্রা মেপে ভেতরে ঢোকানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শ্রমিকের মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস এবং কাজের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। কিন্তু এসব জেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢুকতে ও বের হতে শ্রমিকদের যে ভিড় ও ঠেলাঠেলি, তাতে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি এসব শ্রমিক যেভাবে দল বেঁধে হেঁটে, রিকশায় চেপে ও ভ্যানে গাদাগাদি করে কারখানায় যাচ্ছেন-আসছেন এবং তাদের বাসস্থানগুলোতে যেভাবে থাকছেন, তাতে করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

এর ওপর গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশ রোজার সময় ঢাকা মহানগরীতে দোকান খোলা রাখার সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানো ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতারসামগ্রী বিক্রিরও অনুমতি দিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার নিত্যপণ্যের দোকানগুলো সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল এতদিন। এখন বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেসব দোকান খোলা রাখা যাবে। তবে কাঁচাবাজার ও সুপার শপগুলো আগের মতোই সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আর আজ মঙ্গলবার থেকে ‘প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁগুলো’ ইফতারি তৈরি ও বিক্রি করতে পারবে। তবে কেউ ফুটপাতে কোনো ধরনের ইফতারির পসরা সাজিয়ে প্রদর্শন বা কেনাবেচা করতে পারবেন না। এছাড়া গতকাল এক ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পণ্য পরিবহনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন।

এসব সিদ্ধান্তের কারণে গত দু-তিন দিন ধরে রাস্তাঘাটে মানুষের যে চলাচল লক্ষ করা যাচ্ছে, তা আজ থেকে আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ রাজধানীতে ইফতারসামগ্রী বিক্রি ও দোকানপাট আরও দুই ঘণ্টা খোলার সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কারণে আজ থেকে আরও বেশিসংখ্যক মানুষকে রাস্তাঘাটে দেখা যাবে। সন্ধ্যায় মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়বে ইফতারি কিনতে। এ সময় ঠিক কীভাবে কতটুকু করোনা প্রতিরোধে সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তা অনিশ্চিত।

এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা। যদিও প্রতিটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সামাজিক দূরত্ব করা ও সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ব্যবহারে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট কলকারখানা ও দোকানপাট এবং মানুষ তা ঠিক কতটুকু ও কীভাবে রক্ষা করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কারণে সরকার আগামী ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, তা আরও বেশি শিথিল হয়ে পড়বে। মানুষকে ঘরে রাখা কঠিন হবে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ আমাদের জন্য খুবই ক্রিটিক্যাল। কারণ এখন দেশে আক্রান্তের হার উঠছে ও নামছে। কিন্তু বাড়ছে না। আরও এক সপ্তাহ, অর্থাৎ ৪ মে পর্যন্ত যদি এমনই থাকে, তা হলে করোনা বাড়ার আশঙ্কা নেই। তবে এখন কিছু ফ্যাক্টর চলে এসেছে। বিশেষ করে রাজধানীতে ইফতারি বিক্রি করতে দেওয়ার সিদ্ধান্তটা ঠিক হয়নি। এর ফলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। তাই এই সপ্তাহ পরীক্ষামূলক সময়। খুব ভালো হতো অন্তত আরও এক সপ্তাহ গোটা দেশকে একই রকম রাখা, কোনো পরিবর্তন না আনা। দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়বে না কমবে, সেটা মে’র প্রথম সপ্তাহ পর বোঝা যাবে।

অথচ গোটা দেশ এখনো সরকারি ঘোষণা অনুযায়ীই করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪৯৭ জন আক্রান্ত ও ৭ জন মারা গেছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-এর মধ্যে ওঠানামা করছে। এর মধ্যে এক দিন সর্বোচ্চ ৫০৩ ও গত রবিবার ৪৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুর সংখ্যাও এ সময়ে সর্বোচ্চ ১৫ জনে উঠেছিল।

এখনো দেশে মোট আক্রান্তের সর্বোচ্চ ৫২ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ মৃত্যু ৭৬ জন রাজধানীতেই। এমনকি রাজধানীকে ঘিরে যে ১৩ জেলা, সেখানেও দেশের বাকি ৫১ জেলার চেয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যু বেশি। মোট আক্রান্তের ৩২ দশমিক ৩১ শতাংশই ঢাকা বিভাগে ও মোট মৃত্যু ৫১ জন। রাজধানীর ১৫৪ এলাকায় করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি গোটা দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে মাত্র চার জেলা করোনামুক্ত রয়েছে। ৬০ জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার গার্মেন্টস কারখানাতে ঢুকতে ও বের হতে শ্রমিকদের সামাজিক দূরত্ব রক্ষা এবং সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ব্যবহার করতে দেখা যায়নি বলে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কারখানায় শ্রমিকদের মাস্ক পরতে দেখা গেলেও কারখানার বাইরে কেউই সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করছেন না। এমনকি তারা দল বেঁধে ভ্যানে চেপে কারখানায় আসছেন। আগের মতোই এখানে লকডাউন শিথিল রয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে খোলাবাজারে তৈরি ইফতারি বিক্রি নিষিদ্ধ করা হলেও বিভিন্ন অলিগলিতে তা বিক্রি হচ্ছে এবং মানুষ হুমড়ি খেয়ে কিনছে। একই অবস্থা গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়া কারখানার। সেখানেও লকডাউন শিথিল হয়ে পড়েছে।

সরকারের এসব সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এখনই লকডাউন শিথিল করার সময় আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন রোগতত্ত্ববিদ ও ভাইরোলজি বিশেষজ্ঞরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কীটতত্ত্ববিদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, এখানে শুরু থেকেই করোনা নিয়ন্ত্রণে অগোছালোভাবে কাজ হচ্ছে। যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা বাস্তবায়ন হতে দেখা যাচ্ছে না। সরকার একদিকে লকডাউন দিয়ে রেখেছে, গণপরিবহন বন্ধ, আবার গার্মেন্টস কারখানা খুলে দিচ্ছে। লোকজনকে একদিকে ঘরে থাকতে বলছে, অন্যদিকে সবকিছু খুলে দিচ্ছে। এটা ঠিক হচ্ছে না। সরকার কী ভেবে এসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তা বোধগম্য হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, অনবশ্যক কোনো কিছুই করা ঠিক হবে না। মানুষের জরুরি বিষয়গুলো দেখতে হবে ঠিকই, তবে সেখানে যেন কোনোভাবেই করোনার সংক্রমণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, দেশে এখনই লকডাউন শিথিল করা যাবে না। করোনা সংক্রমণ যখন একজন থেকে একজনের মধ্যে বা তারও কম থাকবে, তখন শিথিলের কথা ভাবা যেতে পারে। বাংলাদেশে এখনো সংক্রমণ বাড়ছে এবং সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সুতরাং লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত হবে না।

ডা. মুশতাক হোসেন আরও বলেন, আমরা গার্মেন্টস কারখানাগুলো অল্প অল্প করে পরীক্ষামূলকভাবে খুলতে পারতাম। খুলে ১৪ দিন পর দেখতে পারতাম সেখান থেকে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে কি না। সেটা করা হয়নি। তাছাড়া খোলা কারখানাগুলোর উচিত ছিল তাদের শ্রমিকদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রেখে সংক্রমণমুক্ত শ্রমিকদের কাজে আনা। সেটিও হলো না। এসব কারখানায় কতটুকু সামাজিক দূরত্ব রক্ষা ও মাস্ক পরাসহ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবে, সে নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। তাই এভাবে সব কারখানা একসঙ্গে খুলে দেওয়াটা উচিত হয়নি।

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, লোকজনকে এখনো রাস্তায় নামানোর সময় আসেনি। আমরা অর্থনৈতিক দিক ভাবব, কিন্তু সবার আগে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি প্রাধান্য দিতে হবে। কিছুতেই এখন সংক্রমণ বাড়ে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মনিরা পারভীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, সারা বিশ্ব এখনো লকডাউনে এবং মানুষকে ঘরে রাখতে কড়াকড়ি আরোপ করছে। সেখানে আমরা কেন এসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, তা বোধগম্য নয়। এখনো লকডাউন শিথিলের সময় আসেনি এটা মানুষকে বুঝতে হবে। আমাদের সংক্রমণ শঙ্কা কাটেনি। প্রতিদিনই মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ও মারা যাচ্ছে। তবে জীবিকার তাগিদে যেসব মানুষকে বের হতে হবে, তাদের জন্য কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগতভাবে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করতে হবে। সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিতে হবে। নতুবা সংক্রমণ আরও বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.