শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
দৈনিক হাওয়া ২৭ নভেম্বর ২০২০ ইং। ২৭ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর তিনটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড রহস্যজনক: ফখরুল সাংবাদিকদেরই দায়িত্ব নিতে হবে ভুয়া সাংবাদিক শনাক্তর-তথ্যমন্ত্রী মামুনুলদের লেজ কেটে দেয়ার সময় চলে এসেছে: ছাত্রলীগ সভাপতি কুষ্টিয়ায় অপহরণের বারো দিন পর স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার প্রধান আসমী গ্রেফতার কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিস দুর্নীতির আখড়া বাড়ি পাশ হলো ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার প্রকল্প, স্বাভাবিকের থেকে তিনগুণ বেশি বাজেট দৈনিক হাওয়া ২৬ নভেম্বর ২০২০ ইং। সবাইকে ছেরে চলে গেলেন কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনা কুষ্টিয়া বিআরটিএ-কে রেজিষ্ট্রেশন ও রুট পারমিট প্রদানের জন্য ৭ দিনের আল্টিমেটাম

দায়িত্বশীলতা ও দায়িত্বহীনতার দ্বান্দ্বিকতা

Reporter Name / ৮৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৭:২৫ পূর্বাহ্ন

ইকতেদার আহমেদ

পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশ জাপানে ১১ মার্চ, ২০১১ ৮.৯ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি আঘাত হানলে পৃথিবীর ইলেকট্রনিক টেলিভিশন চ্যানেলের অন্যতম বিবিসি, সিএনএন, আলজাজিরা, এনএইচকে প্রভৃতি প্রকৃতির শক্তি কত প্রবল হতে পারে সেটির ওপর বারবার আলোকপাত করতে থাকে। এটি কি আসলে প্রকৃতির শক্তি নাকি প্রকৃতিকে যিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন তাঁর শক্তি। অবিশ্বাসীরা বলবেন, এটি প্রকৃতির শক্তি আর বিশ্বাসীরা বলবেন এটি প্রকৃতিকে যিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন তাঁর শক্তি। পৃথিবীতে বিচরণকারী মানুষের কর্মফল এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্যই প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণকারী মাঝে মাঝে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ দিয়ে মানুষকে পরীক্ষা করেন। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীবখ্যাত মানুষ প্রকৃতির নিয়ন্ত্রকের অপার ক্ষমতার অতি সামান্যতমের ক্রিয়াকলাপের কাছে যে কত অসহায় তা অবিশ্বাসীদের হতবাক ও বিস্মিত করলেও হয়তো তাদের বিশ্বাসে চিড় ধরাতে পারেনি। এতে আক্ষেপ করার কিছুই নেই। এ পৃথিবীতে আগমনের আগেও মানুষের সত্তা লুপ্ত অবস্থায় ছিল এবং এ পৃথিবী থেকে বিদায়ের পরও পুনর্জীবিত না হওয়া পর্যন্ত অনন্তকাল এ সত্তা লুপ্ত অবস্থায় থাকবে। উভয় লুপ্ত সত্তার মাঝখানের ক্ষণিকসম মুহূর্ত হচ্ছে মানুষের জীবন। এ জীবন পরিপক্ব জ্ঞানসমৃদ্ধ মানুষের জন্য দায়িত্ব দিয়ে আবদ্ধ।

দায়িত্ব অর্থ পরিচালন, তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, কর্তব্য প্রভৃতি। দায়িত্ব ব্যক্তি ও বস্তু এবং জীব ও নির্জীব উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। দায়িত্ব পালনকারীকে দায়িত্বশীল বলা হয়। দায়িত্বশীলের বিপরীত শব্দ হচ্ছে দায়িত্বহীন। আল্লাহ পাক, সৃষ্টিকর্তা, ঈশ্বর, ভগবান যে নামে তাঁকে ডাকা হোক না কেন, তিনি যে স্রষ্টা তা তারুণ্যের উদ্দামতায় কারো কারো মাঝে সংশয় সৃষ্টি করলেও বার্ধক্যের ক্ষয়িষ্ণুতায় রক্তপ্রবাহ শীতলতর হতে থাকলে স্রষ্টার অস্তিত্ব এদের অনেকের মধ্য থেকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে চলে যায়। এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের নিকট স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ, তারা কি কখনো তাদের চক্ষুকে প্রসারিত করে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে চিন্তা করে দেখেছেন প্রতিটি সৃষ্টি বস্তুগত বা অবস্তুগত, কঠিন বা তরল, বায়বীয় বা অবায়বীয় নিজ নিজ দায়িত্ব সৃষ্টির প্রথম থেকে অদ্যাবধি বিরামহীনভাবে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ব্যতিরেকে সঠিকভাবে পালন করে যাচ্ছে। উপরোল্লেখিত সৃষ্টিগুলোর সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের কারণেই এ পৃথিবীতে প্রাণের আগমন ঘটেছে, যার মধ্যে মানুষ নামক প্রাণীও অন্তর্ভুক্ত। অন্যান্য প্রাণীর সাথে মানুষের পার্থক্য মানুষের মৌলিক গুণ দু’টি। যথা- পশুত্ব ও বিচারশক্তি। অপর দিকে অন্য সব প্রাণীর মৌলিক গুণ একটি আর তা হচ্ছে পশুত্ব।

উপরোল্লেখিত সৃষ্টিগুলোর দায়িত্ব বিষয়ে আলোকপাত করলে আমাদের ধারণা স্পষ্টতর হবে। যেমনÑ সূর্য নামক নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আমাদের পৃথিবীসহ আরও কিছু গ্রহ আবর্তিত হচ্ছে। পৃথিবীর গতি দু’টি। একটি আহ্নিক গতি যার মাধ্যমে পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তিত হচ্ছে, অপরটি বার্ষিক গতি যার কারণে পৃথিবী বছরে একবার সূর্যকে আবর্তন করছে। আহ্নিক গতির কারণে আমরা দিবারাত্রি পাচ্ছি। বার্ষিক গতির কারণে বছরের সূত্রপাত হচ্ছে। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হচ্ছে চন্দ্র, যা গড়ে প্রতি ৩০ দিনে একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে এবং এর মাধ্যমে আমরা বছরে ১২ বার প্রদক্ষিণ পাচ্ছি; যার ফলে একটি বছরকে ১২টি মাসে বিভক্ত করা হয়েছে। চন্দ্রের ওপর সূর্য কিরণের তারতম্যের কারণে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার আবির্ভাব। আবার চন্দ্র ও পৃথিবীর আকর্ষণের কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি । সূর্য, পৃথিবী ও চন্দ্র নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কখনো কোনোরূপ ব্যত্যয় ঘটিয়েছে বা অনিয়ম করেছে তা কেউ কি কখনো প্রত্যক্ষ করেছে?

অনুরূপভাবে প্রকৃতিগত কারণে মানুষের ও জীবনসমৃদ্ধ অপরাপর সব সৃষ্টির জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য পানির তিনটি রূপ রয়েছে। যথা- তরল, কঠিন ও বায়বীয় । তরল পানি নানাবিধ ব্যবহারের কারণে দূষিত হচ্ছে। এ তরল পানি বায়বীয় আকার ধারণ করে সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত হয়ে আকাশে ঘনীভূত আকারে মেঘের জন্ম দিচ্ছে। এ মেঘ থেকে বৃষ্টি নেমে এক দিকে বৃক্ষরাজি তরুলতাকে সজীব করছে, অপর দিকে খাল-বিল, নদী-নালায় পানির প্রবাহ বাড়িয়ে জলজ প্রাণীর জীবন ধারণ সহজতর করছে। বায়বীয় পানি পাহাড়ের চূড়ায় শীতলতার সংস্পর্শে কঠিন আকার ধারণ করে বরফে রূপান্তরিত হয়ে রোদের তাপে ধীরে ধীরে গলে নদী-নালা, খাল-বিলের মাধ্যমে ভূ-ভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পৃথিবীর সব বর্জ্য নিয়ে সাগরে ফেলছে। সাগরের পানির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি লবণাক্ত। যে কারণে সাধারণ ব্যবহার ও সাধারণ কৃষিকাজের উপযোগী নয়।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন সাগরের পানি লবণাক্ত কেন? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই জানা নেই। সাগরবেষ্টিত জেলা কক্সবাজারে আমার জেলা জজ হিসেবে পদায়ন হলে যোগদানের প্রথম দিন বিকেলে কনিষ্ঠ সহকর্মীরা আমাকে বালি আবৃত সাগরতীরে নিয়ে যায়। এ কনিষ্ঠ সহকর্মীদের দু’জন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ও চাকরিতে আমার অনুজ। তারা উভয়ে মেধা ও বুদ্ধিদীপ্ততায় সাধারণের চেয়ে উচ্চমানের। আমি সাগর তীরে হাঁটাহাঁটির সময় তাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম সাগরের পানি লবণাক্ত কেন? তারা কেউই দীর্ঘক্ষণ চিন্তা করে যখন প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারল না, তখন আমি তাদের বললাম, পৃথিবীর বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য নদী ও খাল দিয়ে বাহিত হয়ে সাগরে পতিত হওয়ার পরক্ষণেই পানির লবণাক্ততার কারণে দূষণমুক্ত হয়ে সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্বকে কোনোরূপ বিপন্নের মুখে ফেলে না দিয়ে ভূ-ভাগের প্রাণী ও উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের জীবন ধারণের ভারসাম্য রক্ষা করে চলছে।

এ কথাটি আজ আর কারও অজানা নয় যে, মানুষসহ এ জগতের প্রাণিকুলের জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য হচ্ছে অক্সিজেন। অক্সিজেন ব্যতিরেকে ক্ষণিকের ব্যবধানে প্রাণিকুলের অস্তিত্ব বিপন্নের মুখে পড়বে। মানুষসহ অপরাপর প্রাণিকুল অক্সিজেন গ্রহণ করছে আর কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করছে। অপর দিকে বৃক্ষরাজি ও তরুলতা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করছে আর অক্সিজেন ত্যাগ করছে। এভাবে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের ভারসাম্য রক্ষিত হচ্ছে।

সৃষ্টিকর্তা তাঁর বস্তুগত ও অবস্তুগত, তরল ও কঠিন এবং বায়বীয় ও অবায়বীয় সৃষ্টিগুলোকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন এ দায়িত্বগুলো নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিপূর্ণতার সাথে পালিত হওয়ার কারণেই প্রকৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষিত হচ্ছে।

সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি মানুষকেই এ ধরাতে কিছু নির্দিষ্ট দায়িত্ব সম্পন্ন করার জন্য পাঠিয়েছেন। এ পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষের বিচরণ ক্ষণস্থায়ী। যে কোনো রাষ্ট্রের কর্ণধার থেকে শুরু করে করণিক পর্যন্ত সবার নির্ধারিত দায়িত্ব রয়েছে। এ নির্ধারিত দায়িত্ব যারা সফলতার সাথে পালন করেন তারা সার্থক ও নন্দিত। জনগণের হৃদয়ে তারা শ্রদ্ধাভাজন হিসেবে চিরভাস্বর হয়ে থাকেন। আর দায়িত্ব পালনে যারা বিফল তারা ব্যর্থ ও নিন্দিত ।

প্রাণিকুলের মধ্যে ক্ষেত্রবিশেষে নৈতিকতার মানদণ্ডে মানুষ অপরাপর প্রাণীকে লজ্জায় ফেলে দিচ্ছে। অপরাপর প্রাণীর মধ্যে কখনো এমনটি পরিলক্ষিত হয়নি যে, কোনো প্রাপ্তবয়স্ক প্রাণী অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রাণীর ওপর জৈবিক চাহিদা চরিতার্থের মানসে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কিন্তু সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের মধ্যে এ প্রবণতা কেন? এটা কোন ধরনের নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ?

প্রাণিকুলের মধ্যে ষড়রিপু যথা- কাম, ক্রোধ, মোহ, লোভ, মদ ও মাৎসর্য মানুষের ওপর যেভাবে ক্রিয়াশীল অপরাপর প্রাণীর ওপর সেভাবে ক্রিয়াশীল না হওয়ায় মানুষ তার দায়িত্ব পালনে প্রতিনিয়ত ব্যর্থতার বেড়াজালে আবদ্ধ হচ্ছে। আর এ কারণে আজ পৃথিবীর সর্বত্র হানাহানি, অত্যাচার ও নিপীড়নের প্রসার ঘটছে, সবল দুর্বলের ওপর আঘাত হানছে, ধনীরা গরিবদের শোষণ করছে, দারিদ্র্য বিমোচনের নামে প্রহসন চলছে, ঋণগ্রহীতা স্বাবলম্বী না হয়ে সুদের কশাঘাতে পিষ্ট হয়ে ঘরের চালা হারাচ্ছে, অন্যায় ন্যায়ের ওপর প্রাধান্য পাচ্ছে, দুর্নীতি নীতিকে গ্রাস করছে, বিলাসিতা সাধারণ জীবন মানকে ম্লান করে দিচ্ছে, ভূরিভোজন ক্ষুধার সাথে তামাশা করছে, সততা অসততার কাছে মার খাচ্ছে, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার ক্ষুণœ হচ্ছে, চোর সাধু সেজে বড় গলায় কথা বলছে, মিথ্যা সত্যকে আড়াল করছে, পাপ পুণ্যকে অতিক্রম করছে, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, আইন ও বিধি-বিধান লঙ্ঘিত হচ্ছে, কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠের অধিকার ক্ষুণœ করছে, অযোগ্য যোগ্যের অগ্রে স্থান পাচ্ছে, ব্যক্তিস্বার্থ জনস্বার্থকে অবদমিত করছে, বিবেকহীন বিবেকবানের ওপর ঠাঁই করে নিচ্ছে, মানবিক মূল্যবোধ ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে, মানসিক যাতনাকে উপহাস করা হচ্ছে, বিপর্যয় আনন্দের খোরাক হচ্ছে, নির্লজ্জ ও বেহায়া ভদ্র ও সম্ভ্রান্তের চলার পথকে কণ্টকাকীর্ণ করছে, কলঙ্কের কালিমা খ্যাতির ব্যাঘাত না হয়ে আনন্দের কারণ হচ্ছে, অপরের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে নিজেকে ওই সাফল্যের জন্য যৌক্তিক ভাবছে, পদধারীদের বিভিন্নমুখী অন্যায় ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বঞ্চিত করছে, ধোঁকাবাজ দ্বারা সহজ-সরল প্রতারিত হচ্ছে, অন্যায়ভাবে উপরের সিঁড়িতে আরোহণে বিবেক বাধা হিসেবে দাঁড়াচ্ছে না, ঘুষখোরের দৌরাত্ম্যে ন্যায়নিষ্ঠ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে, মঙ্গল অমঙ্গলের কাছে পরাভূত হচ্ছে, কল্যাণ অকল্যাণের কাছে হার মানছে, ভুখানাঙ্গা ও নিরন্নের হাহাকার প্রতিনিয়ত উপেক্ষিত হচ্ছে এবং ডুবন্ত নৈতিকতা খড়কুটোকে অবলম্বন করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তার পরও বলতে দ্বিধা নেই, ক্ষয়িষ্ণু দায়িত্বশীলতা এত সব প্রতিকূলতার মাঝেও নিভু নিভু প্রদীপ থেকে দ্যুতি ছড়িয়ে স্ব-অবস্থানে অটুট থাকার সংগ্রামে অবিচল রয়েছে। আর এই দায়িত্বশীলতা ও দায়িত্বহীনতার দ্বান্দ্বিকতার মাঝ থেকেই আমাদের ও অন্যান্য দেশের জাতীয় জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক নেতৃত্বকে খুঁজে বের করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পৃথিবীর সব অংশের মানুষকে নিজ নিজ সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে ব্রতী হতে হবে। 

লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক

E-mail: iktederahmed@yahoo.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.