শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার ইবি থানার রাস্তার বেহাল দশায় ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ কুমারখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় শ্রমিক নেতা নিহত কুমারখালী বাশগ্রাম বাজারে মহানবী (সাঃ) কে কটুক্তি করায় ছন্দ ষ্টুডিও ঘেরাও করেছে তৌহিদী জনতা ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার প্রতিবাদে ভিপি নূরের নেতৃত্বে রাজধানীতে মশাল মিছিল কুষ্টিয়ায় ঘাতক ট্রাক্টর কেরে নিল কোরআনে হাফেজ ফারুকের জীবন কুষ্টিয়ার সু-স্বাদু তিলের খাজা, দেড়শ’ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ দৈনিক হাওয়া ০৩ ডিসেম্বর ২০২০ ইং। কুষ্টিয়ায় সফল অভিযানে ডিবি পেল পুরস্কার দৌলতপুরে ৪ ইটভাটা মালিককে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা জরিমানা

করোনায় কপাল পুড়েছে মেহেরপুরের ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের

Reporter Name / ৭৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৭:০৩ পূর্বাহ্ন

মেহেরপুর প্রতিনিধি : মাস খানেক হলো ব্যবসা শিঁকেয় উঠেছে মেহেরপুরের ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। মহামারি করোনার বিস্তার ও প্রভাব প্রতিরোধে সরকার ফুটপাতের ব্যবসায়ীসহ সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে অন্যান্য দোকানপাট সাময়িক খোলা থাকলেও পুরোপুরো বন্ধ রয়েছে ফুটপাতের দোকানগুলো। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছেন এসব দোকান মালিকরা।

মহামারি করোনা দেশে ছড়িয়ে পড়ার পর খাবার, কাঁচামাল ও ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়। কপাল পোড়ে চায়ের দোকানসহ ফুটপাতের কারিগরদের। বিপাকে পড়েন তারা। দোকান খুলতে না পারায় তাদের চুলাও আর জ্বলে না।

গাংনী উপজেলা পরিষদের সামনে ফুটপাতের চায়ের দোকানি আশা বেগম জানান, তার স্বামী একজন মোটর শ্রমিক। সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালানো আর মেয়ের লেখাপড়া করানো সম্ভব হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত রাস্তার ধারে একটা চায়ের দোকান খুলে বসেন। কোনো রকম সংসার চলছিল। কিন্ত মাস খানেক হলো করোনার কারণে দোকানটি বন্ধ করেছে প্রশাসন। সরকারি কোনো সহযোগিতাও পাননি তিনি।

ফুটপাতের কারিগর বজলুর রহমান জানান, নিজস্ব দোকান নেই তাই রাস্তার পাশে চট বিছিয়ে ছাতা, টর্চলাইট মেরামত ছাড়াও নষ্ট তালা চাবি মেরামত করতেন। এখান থেকে যে আয় হতো তা দিয়ে সংসার চলতো। এখন মহামারীর কারণে ফুটপাতের ব্যবসাটি বন্ধ হয়ে গেছে।

একই কথা জানালেন চায়ের দোকানি রফিকুল ইসলাম, জেনারুল ও মোখলেছ।

ফুটপাতের হোটেল ব্যবসায়ী মিনা কুমারী জানান, স্বামীর সঙ্গে তিনি রাস্তার পাশে হোটেল খুলে বসেন। কোনো রকম দিন পার হচ্ছিল। কিন্তু সেটি বন্ধ হওয়ায় মহাসংকটে পড়েছেন তারা। সরকারি সহযোগিতা পাননি আবার এমন কোনো অর্থ নেই যা দিয়ে সংসার চালাবেন।

জেলা প্রশাসক আতাউল গণি জানান, পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে দোকান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তাদেরকে সহযোগিতা করা হয়েছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দোকান খোলার অনুমতি দেয়া হবে। সকলের প্রচেষ্টায় করোনা মোকাবেলা করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.